বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণীতে ইংল্যান্ডের মুখোমুখি ফ্রান্স। ৪ গোলে পিছিয়ে থাকার পর অলিসে এমবাপ্পেকে অ্যাসিস্ট দেন এবং ৬ অ্যাসিস্ট নিয়ে পেলের সমান হন।
সুইডেনের বিপক্ষে দুটি অ্যাসিস্ট দেওয়ার পর অলিসের এ বিশ্বকাপের অ্যাসিস্ট সংখ্যা ৫-এ পৌঁছায়—১৯৯৪ সালে হ্যাসলারের রেকর্ডে সমান। বিশ্বকাপ ইতিহাসে একক টুর্নামেন্টে তাঁর অ্যাসিস্ট সংখ্যা তখন শুধু ১৯৭০-এর পেলের (৬) পেছনে ছিল।
একইসঙ্গে অলিসের পাঁচটি অ্যাসিস্টই ওপেন প্লে থেকে আসে। এতে তিনি ১৯৭০-এর পেলে ও ১৯৮২-এর লিটবারস্কির সমান হয়ে একক বিশ্বকাপে ওপেন প্লে অ্যাসিস্টে শীর্ষে ওঠেন।
তবে রাউন্ড অব ১৬-এ প্যারাগুয়ের বিপক্ষে ম্যাচের পর থেকে অলিসে হঠাৎ “নিঃশব্দ” হয়ে পড়েন—টানা তিনটি নকআউট ম্যাচেই গোলে সম্পৃক্ত থাকতে পারেননি। এর ফলে ফ্রান্স তিন ম্যাচে মাত্র ৩ গোল করে এবং ০-২ স্কোরে স্পেনের কাছে বিদায় নেয়।
প্রথমার্ধে ফ্রান্স টানা ৪ গোল হারায়। হাফটাইমের পর দেশঁ একসঙ্গে চারজন বদলি নামান। ৪৮ মিনিটে অলিসে বক্সের সামনে থেকে দুর্দান্ত পাস দেন, এমবাপ্পে কোণাকুণি শটে জালে তোলেন।
এটাই অলিসের এ বিশ্বকাপের ষষ্ঠ অ্যাসিস্ট—এতে তিনি পেলের সমান হন। আরও একটি অ্যাসিস্ট দিলে তিনি পেলেকে টপকে একক বিশ্বকাপ অ্যাসিস্ট রেকর্ড ভাঙতেন।
একইসঙ্গে অলিসের ছয়টি অ্যাসিস্টই ওপেন প্লে থেকে আসায় তিনি একক বিশ্বকাপে ওপেন প্লে অ্যাসিস্টের নতুন রেকর্ড গড়েন। ফ্রান্সের হয়ে ২৫টি ম্যাচে এটাই তাঁর নবম অ্যাসিস্ট; এছাড়া তিনি ফ্রান্সের হয়ে ৬ গোলও করেছেন।



